প্রকাশ : ... | ... | ...

‘সেক্রেটারি হইতে ৫০ লাখ খরচ করছি’, ব্যানারে নাম না থাকায় বিএনপি নেতার ক্ষোভ


সংযুক্ত ছবি

‘আমি পৌর বিএনপির সেক্রেটারি, আমার নাম ব্যানারে আসে নাই কেন? নির্বাচিত সেক্রেটারি, সেক্রেটারি হইতে ৫০ লাখ টাকা খরচ করে হালাইছি।’—রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশের এমন বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে নিজের নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়ার সঙ্গে পলাশের ওই কথোপকথন হয় বলে জানা গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল থেকে অডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। ছড়িয়ে পড়া অডিওতে পলাশকে বলতে শোনা যায়, ‘মনোয়ার প্রধান অতিথি, আমনে বিশেষ অতিথির ব্যানার কইরছেন। পৌর বিএনপির সেক্রেটারি প্রধান অতিথি হইতে হারিনো। আমনে কন, পলাশ কে?’ একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমার নাম কেন আসে নাই ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে? ... আই পৌর বিএনপির সেক্রেটারি, আমার নাম ব্যানারে আসে নাই, আমনে কন পলাশ কে? নির্বাচিত সেক্রেটারি, সেক্রেটারি হইতে ৫০ লাখ টিয়া খরচ করে হালাইছি।’ অডিওতে তাঁকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আমি পানিওয়ালা যামু না, এটা আমি বলছি। তোরা একগাও আসবি না পৌরসভায়।’ অপর প্রান্তে থাকা বিএনপি নেতা মারুফ ভূঁইয়াকে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু বলিনি ভাই।’ পরে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। অডিওটির কিছু অংশে অপ্রকাশযোগ্য ভাষা রয়েছে। ‘অডিওটি পুরোনো’ তবে অডিওটি নিয়ে তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়া বলেন, ‘অডিওটি পুরোনো। পরে আমি বিষয়টি জানালে সিনিয়র নেতারা বসে সমাধান করে দিয়েছেন। পলাশ আমাকে সরি বলেছেন।’ গিয়াস উদ্দিন পলাশের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পলাশের ঘনিষ্ঠ এক নেতা বলেন, ‘সেদিন ঘটনার সময় পলাশের মাথা গরম ছিল। পরে নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান হয়েছে।’ সম্মেলনে ভোটে সাধারণ সম্পাদক ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে শেখ কামরুল ইসলাম সভাপতি ও গিয়াস উদ্দিন পলাশ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।